রাজশাহী নগরীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে গোলাম মোস্তফা (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্ত্রী নাদেরা বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
রোববার নগরীর মতিহার থানায় দায়েরকৃত মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক এবং তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
মামলার এজাহার ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) রাত আটটার দিকে নগরীর খোঁজাপুর এলাকার গোরস্তানের পাশের সড়ক দিয়ে এশার নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় দূর্বৃত্তরা গোলাম মোস্তফাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, স্থানীয় নহির উদ্দিনের ছেলে মোঃ উকিল, মোঃ হাসিবুল মোল্লা এবং শিহাবুল ইসলাম। পরিবারের অভিযোগ, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোস্তফাকে আগে থেকেই হুমকি দেওয়া হচ্ছিল এবং ঘটনার পর আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।
স্বজনদের দাবি, প্রায় এক বছর আগে নিহতের ভাতিজা চঞ্চলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। খোঁজাপুর মোড়ে একটি দোকানে বসে থাকার সময় চঞ্চলের মাধ্যমে কিছু মালামাল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চঞ্চলকে মারধর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, উকিল ও হাসিবুলসহ কয়েকজন ওই মারধরে অংশ নেন। পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও মামলা হয়। একপর্যায়ে গোলাম মোস্তফার মাথায় ইটের আঘাত লাগে এবং তাঁকে ১০টি সেলাই দিতে হয়। বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা হলেও প্রতিপক্ষ জানায়, নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো বিচার হবে না। এরপর থেকেই মোস্তফা নিয়মিত হুমকি পেয়ে আসছিলেন।
নিহতের স্ত্রী নাদেরা বেগম বলেন, আমার স্বামী নিয়মিত নামাজ পড়তেন। কারও সঙ্গে ঝামেলা করতেন না। অজু করে নামাজে যাওয়ার সময় তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই।
নিহত গোলাম মোস্তফার তিন মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যে আড়াই মাস আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে এক মেয়ের মৃত্যু হয়। নতুন এই শোকে পরিবারটি ভেঙে পড়েছে বলে জানান স্বজনরা।
জানতে চাইলে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, নিহতের স্ত্রী তিনজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আগের একটি ঘটনার জেরে বিরোধ ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রোববার নগরীর মতিহার থানায় দায়েরকৃত মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক এবং তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
মামলার এজাহার ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) রাত আটটার দিকে নগরীর খোঁজাপুর এলাকার গোরস্তানের পাশের সড়ক দিয়ে এশার নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় দূর্বৃত্তরা গোলাম মোস্তফাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, স্থানীয় নহির উদ্দিনের ছেলে মোঃ উকিল, মোঃ হাসিবুল মোল্লা এবং শিহাবুল ইসলাম। পরিবারের অভিযোগ, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোস্তফাকে আগে থেকেই হুমকি দেওয়া হচ্ছিল এবং ঘটনার পর আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।
স্বজনদের দাবি, প্রায় এক বছর আগে নিহতের ভাতিজা চঞ্চলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। খোঁজাপুর মোড়ে একটি দোকানে বসে থাকার সময় চঞ্চলের মাধ্যমে কিছু মালামাল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চঞ্চলকে মারধর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, উকিল ও হাসিবুলসহ কয়েকজন ওই মারধরে অংশ নেন। পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও মামলা হয়। একপর্যায়ে গোলাম মোস্তফার মাথায় ইটের আঘাত লাগে এবং তাঁকে ১০টি সেলাই দিতে হয়। বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা হলেও প্রতিপক্ষ জানায়, নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো বিচার হবে না। এরপর থেকেই মোস্তফা নিয়মিত হুমকি পেয়ে আসছিলেন।
নিহতের স্ত্রী নাদেরা বেগম বলেন, আমার স্বামী নিয়মিত নামাজ পড়তেন। কারও সঙ্গে ঝামেলা করতেন না। অজু করে নামাজে যাওয়ার সময় তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই।
নিহত গোলাম মোস্তফার তিন মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যে আড়াই মাস আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে এক মেয়ের মৃত্যু হয়। নতুন এই শোকে পরিবারটি ভেঙে পড়েছে বলে জানান স্বজনরা।
জানতে চাইলে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, নিহতের স্ত্রী তিনজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আগের একটি ঘটনার জেরে বিরোধ ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক